Call Us: +8809639151525
Email: info@madrasatussunnah.org

প্রশ্নোত্তর (FAQ)

নিচে আমাদের মাদরাসা সম্পর্কে কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো।

এটি বাংলা মাধ্যমে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। তবে আরবি ও ইংরেজি ভাষার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এখানে জেনারেল শিক্ষা ও ইসলামী শিক্ষার সমন্বয় করে পাঠদান করা হয়। হিফযুল কুরআন, আরবি ভাষা ও ইসলামিক স্টাডিজ ছাড়াও বাংলা, গণিত ও ইংরেজিসহ ক্লাসভিত্তিক অন্যান্য জেনারেল বিষয় পড়ানো হয়।
এটি আলিয়া বা কওমি কোনো সুনির্দিষ্ট ধারার প্রতিষ্ঠান নয়। তবে শিক্ষার্থীরা চাইলে পরবর্তীতে আলিয়া, কওমি অথবা সাধারণ স্কুল ধারায় যেতে পারবে, ইন-শা-আল্লাহ।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি কোনো বোর্ডের আওতাধীন নয়। তবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার কাজ চলমান আছে। নির্দিষ্ট সময়ের পর প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো বোর্ডের আওতায় আপাতত পরীক্ষা দেওয়া যাবে। রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়ে গেলে তখন নিজস্ব প্রতিষ্ঠান থেকেই বোর্ড পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে, ইন-শা-আল্লাহ।
কায়দা, আম্মাপারা ও নাযেরা শেষে ন্যূনতম ৫ পারা হিফয বাধ্যতামূলক। এর বাইরে প্রত্যেক শিক্ষার্থী তার মেধার স্তর অনুযায়ী হিফয সম্পন্ন করবে। যেমন কেউ পূর্ণ হিফয করবে, কেউ ১০ পারা, কেউ ২০ পারা –যার পক্ষে যেটা সম্ভব হয়।
আরবি, ইংরেজি ও বাংলা—এই তিন ভাষার বিষয়সমূহ বর্তমানে স্ব স্ব ভাষায় পাঠদান করা হয়।

নিয়মিত ক্লাসের পাশাপাশি সক্রিয় ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাবের মাধ্যমে কথন, শ্রবণ ও ব্যবহারিক অনুশীলনের পরিবেশ তৈরি করা হয়।
ক্লাস ও পরিবেশ উভয়টিই এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তব জীবনে ইসলামী আদর্শ ও নৈতিকতা প্রয়োগ করতে শিখে।
তালীম-তারবিয়াতের ব্যাপারে মা-বাবা যেন সন্তানকে পূর্ণ সহযোগিতা করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে পারেন পাশাপাশি নিজেদেরকেও দীনের সাথে সম্পৃক্ত রাখতে পারেন, সেই লক্ষ্যে মাদরাসাতুস সুন্নাহ অভিভাবকদের জন্য বিশুদ্ধভাবে কুরআন শিক্ষাসহ দীনিয়াতচর্চার বিভিন্ন প্রোগ্রামগুলোতে অংশগ্রহণ করাকে বাধ্যতামূলক করেছে।

এছাড়াও বিশেষ উপলক্ষে অভিভাবকদের জন্য দ্বীনী হালকাহ ও শিক্ষা সেশন আয়োজন করা হয়, যাতে তারা সন্তানের তালীম-তারবিয়তে সরাসরি অংশ নিতে পারেন।
প্রতি বছর নভেম্বর থেকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয় এবং ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয়। জানুয়ারিতে ক্লাস শুরু হয়।
প্লে: ৩-৪ বছর
নার্সারি: ৪-৫ বছর
কেজি: ৫-৬ বছর
প্রথম শ্রেণি: ৬-৭ বছর
দ্বিতীয় শ্রেণি: ৭-৮ বছর
তৃতীয় শ্রেণি: ৮-৯ বছর
চতুর্থ শ্রেণি: ৯-১০ বছর
পঞ্চম শ্রেণি: ১০-১১ বছর
শিক্ষার্থীর বয়স, প্রস্তুতি ও সামর্থ্য অনুযায়ী মৌখিক ও লিখিত মূল্যায়ন করা হয়। অভিভাবককেও কিছু প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়।
শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন, ৪ কপি ছবি, অভিভাবকের NID কার্ডের ফটোকপি ও ২ কপি ছবি জমা দিতে হয়।
বালক: সাদা জুব্বা (লোগোযুক্ত), সাদা পায়জামা, সাদা জালি টুপি, সাদা মোজা, কালো জুতা

বালিকা: সাদা কামিজ, সাদা সালোয়ার, সাদা হিজাব (লোগোযুক্ত), সাদা মোজা, কালো জুতা
আফতাবনগর, নতুনবাজার, উত্তর বাড্ডাসহ নির্ধারিত রুটে ৫টি নিজস্ব বাসে যাতায়াতের ব্যবস্থা রয়েছে। বাসে যাতায়াত করতে হলে ভর্তি হওয়ার পর এর জন্য আবেদন করতে হয়। আবেদন গৃহীত হলে প্রতি মাসে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে বাসে যাতায়াত করা যায়। ভবিষ্যতে বাস সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে, ইন-শা-আল্লাহ।
জী, ২য় বা তদূর্ধ্ব শ্রেণির শুধুমাত্র ছেলেদের জন্য সীমিত পরিসরে আবাসিক সুবিধা আছে।
প্রয়োজনে মাদরাসা কর্তৃক প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
বিস্তারিত ফি তালিকা:
ভর্তি ফি (নতুন): ৩৫,০০০৳
সেশন ফি (পুরাতন): ২২,০০০৳
মাসিক বেতন: প্লে, নার্সারি ও কেজি: ৪,৫০০৳; ১ম-৩য়: ৫,০০০৳; ৪র্থ-৫ম: ৫,৫০০৳
মাসিক পরিবহন: ৩,০০০৳
আবাসিক ভর্তির সময় খরচ: ১০,০০০৳
মাসিক আবাসন চার্জ: ১২,৫০০৳
একই পরিবারের একাধিক সন্তান পড়লে ছোটজনের জন্য ফি অর্ধেক।
জী, ইয়াতিম ও মেধাবী গরীব শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ যাকাত ফান্ড থেকে সম্পূর্ণ স্কলারশিপের ব্যবস্থা আছে। এটি মোট শিক্ষার্থীর ২০% পর্যন্ত হতে পারে।
ছেলে-মেয়েদের আলাদা ক্লাসরুম (এসি যুক্ত)
ডিজিটাল স্মার্ট বোর্ড
অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দ
লাইব্রেরি
সিসি ক্যামেরায় নজরদারি
খেলার মাঠ (বালক ও বালিকা আলাদা)
নিজস্ব বিদ্যুৎ ব্যবস্থা
মনোরম পরিবেশ ও নিরাপত্তা, ইত্যাদি